সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী : উপহার দিলেন খেলার সামগ্রী
মিজানুর রহমান মিলন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : বিমানবন্দর থেকে রংপুর যাওয়ার পথে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তাদের বাঁধ ভাঙা আনন্দে প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের ভালোবাসায় অভিভূত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান এবং সেলফি তোলেন। পরে উপহার হিসেবে শিক্ষার্থীদের হাতে ফুটবল ও ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলার সামগ্রী তুলে দেন তিনি। এ সময় কলেজের উন্নয়নে ডাবল শিফট চালু, ছাত্র ছাত্রীদের জন্য পৃথক ভবন নির্মাণ এবং একটি অডিটোরিয়াম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে স্মারকলিপি দেন কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সামরিক বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দর সড়কে অবস্থিত সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের প্রধান ফটকের সামনে শিক্ষার্থীদের দেখতে পেয়ে বাস থামান প্রধানমন্ত্রী। এরপর বাসের গেটে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সঙ্গে হাত মেলান এবং নিজেই সেলফি তোলেন।
কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, তাঁদের কী প্রয়োজন। এ সময় তিনি কলেজের ইতিহাস ও উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন চাহিদার কথা তুলে ধরা হয়।
অধ্যক্ষ বলেন শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি স্কুল থেকে কলেজে উন্নীত হয়। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর পর তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আরও জানতে চান। একপর্যায়ে কলেজের কী কী প্রয়োজন, তা জানতে চাইলে অধ্যক্ষ অবকাঠামো উন্নয়ন ও পাঠদানের সুযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব তুলে ধরেন।
অধ্যক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজে এক শিফটে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বেশি সুযোগ সৃষ্টি করতে প্রতিষ্ঠানটিতে ডাবল শিফট চালুর প্রস্তাব দেন তিনি। পাশাপাশি ছেলেদের ও মেয়েদের জন্য পৃথক দুটি ভবন এবং একটি অডিটোরিয়াম নির্মাণের দাবিও জানান। এসব প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন জানিয়ে অধ্যক্ষ বলেন একজন প্রধানমন্ত্রী নিজে এগিয়ে এসে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কথা শুনছেন এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা।
What's Your Reaction?