সৈয়দপুরে পুলিশের অভিযানে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল : চোরসহ গ্রেফতার -২
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : নীলফামারীর সৈয়দপুরে চিহ্নিত মোটরসাইকেল চোরসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সৈয়দপুর উপকন্ঠ চৌমুহনী বাজার ও কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ ফাইলেরিয়া হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার হরিশ্চন্দ্র পুর এলাকার মতিয়ার রহমানের পুত্র আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য সাব্বির হোসেন (২৬) এবং সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের সরদার পাড়ার মৃত জহুরুল ইসলামের পুত্র চোরাই মোটরসাইকেল ক্রেতা শাহরিয়ার হোসেন ওরফে ফরহাদ (২৫)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজার নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকালে সৈয়দপুর শহরের উপকন্ঠ চৌমুহনী বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সঙ্গীয় ফোর্স। এসময় পুলিশ সদস্যরা চৌমুহনী বাজার ব্রীজের সামনে থেকে মোটরসাইকেল চোর সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করে। এসময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ ফাইলেরিয়া হাসপাতাল সংলগ্ন মতির মোড় এলাকায় চোরার মোটরসাইকেল ক্রেতা শাহরিয়ার হোসেন ওরফে ফরহাদকে তার বাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দুইজনের তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে পালসার,ডিসকাভার ও হারনেট ব্র্যান্ডের তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে মোটরসাইকেল চুরি ও চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলো পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী ও দিনাজপুর শহর থেকে চুরি করেছিল বলে মোটরসাইকেল চোর সাব্বির স্বীকার করেছে। এ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সৈয়দপুরে মোটরসাইকেল চুরি প্রতিরোধ এবং চোরাই যানবাহন উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে সৈয়দপুর শহরে মাদক, চুরি ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান পারিচালনা করছে। গত কয়েক মাসে ধারাবাহিক অভিযানের কারণে মাদককারবারীসহ অন্যান্য অপরাধীদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণেও এসেছে। অপরাধ দমনে পুলিশের নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
What's Your Reaction?