ঢাকাস্থ সৈয়দপুর সোসাইটি'র নিজস্ব জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন
নীলফামারী প্রতিনিধি : ঢাকাস্থ সৈয়দপুরবাসীদের সংগঠন ‘সৈয়দপুর সোসাইটি'র জন্য উপহার পাওয়া জমির দলিল রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার পূর্বাচল ২৯ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন এলাকায় সংগঠনের জন্য বরাদ্দকৃত ৬ (ছয়) শতাংশ জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করা হয়।
সৈয়দপুর সোসাইটিকে উপহার হিসেবে ওই জমি প্রদান করেন সংগঠনটির উপদেষ্টা ও জমি দাতা তৌহিদা সুলতানা রুনু।
সংগঠনের জন্য জমি পেয়ে ঢাকাস্থ ‘সৈয়দপুর সোসাইটির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মনে করছেন সৈয়দপুর সোসাইটির সকলে।
এদিকে সংগঠনোর নামে জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হওয়ায় সকল সদস্যদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। জমিটি উপহার দেওয়ার জন্য সংগঠনের উপদেষ্টা ও দাতা তৌহিদা সুলতানা রুনুর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন সোসাইটির নেতৃবৃন্দ।
সৈয়দপুর সোসাইটির আহবায়ক কাজী আরিফ ও সদস্য সচিব আখেরুজ্জামান শাহ, জানান, নিজস্ব জমি হওয়ায় ‘সৈয়দপুর সোসাইটির সার্বিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকায় বসবাসরত সৈয়দপুরবাসীর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
এদিকে সৈয়দপুর সোসাইটির নিজস্ব জমি প্রাপ্তির ঐতিহাসিক অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে সৈয়দপুরবাসীর মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিগগিরই সংগঠনের নিজস্ব জমিতে বৃহৎ আকারে বর্ণাঢ্য মিলনমেলার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
এরআগে জমির দলিল রেজিস্ট্রি সম্পন্নের স্মরণীয় মুহূর্তে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ড. উলফাত হোসেন, দাতা ও উপদেষ্টা তৌহিদা সুলতানা রুনু, দাতা সদস্য তামান্না রেজা সঙ্গীতা কোষাধ্যক্ষ আবু আল মামুন, কার্যকরী সদস্য আলী ইমরান, গাউসুর রহমান বুলবুল, আবু সুফিয়ান, সাজ্জাদ উর রহমান রুপম, এ.কে.এম. সাজ্জাদ হোসেন, শফিকুল ইসলাম, রেজওয়ান উল বারি বাবু, অ্যাডভোকেট মাহমুদ তপু ও ইঞ্জিনিয়ার আহসান বাপ্পি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেজওয়ানুল কবীর দিপু ও রাফাত কবীর রনি প্রমুখ।
নিজস্ব জমির রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়াকে সংগঠনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই অর্জন ভবিষ্যতে ঢাকাস্থ
সৈয়দপুরবাসীর ঐক্য, সম্প্রীতি ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
What's Your Reaction?