ইউএনওকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের ঘটনায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের নিন্দা
এস, এম, মোস্তফা কামাল: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক কে জড়িয়ে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে মিথ্যাচারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার সকালে সরবরাহকৃত বিবৃতিতে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যরা ইতিমধ্যে জাতীয় দৈনিক বাংলা বাজার, দৈনিক পত্রদূত, দৈনিক তথ্য, দৈনিক রূপান্তরসহ এক ডজনেরও বেশি পত্রিকায় শ্যামনগর পৌরসভার মধ্যকার অবৈধ ইটভাটা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। সে সব সংবাদে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বক্তব্য সাবলীলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
অথচ আকস্মিকভাবে বুধবার স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় একই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে ইউএনও বক্তব্য না দিয়ে হুমকি দিয়েছে- বলে দাবি করে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। যা উদ্দেশ্যমূলক এবং বিভ্রান্তিকর বলে মনে হয়।
বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে জনৈক সাংবাদিকের নামে গাবুরা ইউনিয়নের জন্য নির্ধারিত টিসিবির একটি ডিলারশিপ আছে। কয়েক সপ্তাহ পূর্বে রাতের বেলা নকিপুর বাজারে সোয়াবিন তেল বিক্রির সময় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে প্রশাসন তা জব্দ করে। এক পর্যায়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এক সদস্যের তদন্ত টিম উক্ত সাংবাদিক ডিলারের নির্দিষ্ট গোডাউন পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে অগ্রগামী করেন।
জানা যায় বিষয়টি অবহিত হয়ে উক্ত ডিলার দুই সহকর্মীকে নিয়ে বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে যান। একপর্যায়ে তারা অবৈধ ইটভাটা নিয়ে তথ্য চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেলা প্রশাসকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
অথচ ব্যক্তিগত আক্রোশবশত সম্পূর্ণ আজগুবি একটা তথ্য গণমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে উক্ত ডিলার ও তার সহকর্মীরা যা করেছেন সেটা খুবই নিন্দনীয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আরোও তিনজনের মাধ্যমে বিষয়টি যেমন নিশ্চিত হওয়া গেছে তেমনি উক্ত সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক হুমকি প্রদানমুলক বক্তব্যের পক্ষে কোন তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
সাংবাদিকতাকে পুঁজি করে ব্যক্তি বিশেষের এ ধরনের অপতৎপরতা শুধু দেশ ও রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে শুধু বাধাগ্রস্ত করে না বরং সাংবাদিকতা পেশার মান দারুণভাবে ক্ষুন্ন করে।
এমন মিথ্যা প্রচারণায় যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি সাংবাদিকতার প্রশ্নে নীতি-নৈতিক নৈতিকতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
What's Your Reaction?