দেবহাটায় ভগ্নিপতির মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার শ্যালক

May 14, 2026 - 18:00
 0
দেবহাটায় ভগ্নিপতির মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার শ্যালক

দেবহাটা (সাতক্ষীরা)  প্রতিনিধি: দেবহাটায় ভগ্নিপতি কর্তৃক মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও বিভিন্ন রকমের হুমকির শিকার শ্যালকের সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের হলরুমে বৃহস্পতিবার ১৪ মে সকাল ১১টায় উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনটি করেন দেবহাটা উপজেলার চক মোহাম্মাদালীপুর গ্রামের মৃত সামছুদ্দীন গাজীর ছেলে ব্যবসায়ী রেজাউল করিম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার বড় ভগ্নিপতি সাতক্ষীরা সদরের মাহমুদপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সীমান্ত আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ সিদ্দিক একজন স্বার্থবাদী, মামলাবাজ ও পরনির্ভরশীল ব্যক্তি। রেজাউল বলেন, তার পিতার মৃত্যুর পরে ওয়ারেশ অনুযায়ী তাদের সকল ভাইবোনদের মধ্যে জমিজায়গা ভাগ বাটোয়ারা করে দেয়া হয়েছে। সকল ভাইবোনেরা সেই আপোষ বন্টন মেনে নিলেও তার বড় বোন রেহেনা ও তার ভগ্নিপতি আব্দুল্লাহ সিদ্দিক লোভের বশবর্তী হয়ে নিজেরা নিজেদের মতো করে জমি ভাগ করে নেয়ার চেষ্টা করে। এবিষয়ে তাদের বড় ভাই সখিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন ময়নাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার বসে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বড় ভগ্নিপতির ইন্ধনে তার বড় বোন সেটা মেনে না নিয়ে বিভিন্নভাবে তাদেরকে হয়রানি করতে থাকে। বড় বোন রেহেনা বাদী হয়ে ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা আদালতে গত ইং ১৩-০৪-২৬ তারিখে ও ১২-০৫-২৬ ইং তারিখে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট ২টি মামলা দায়ের করে। এছাড়াও দেবহাটা থানায় অপর একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। একজন কলেজ শিক্ষক হয়ে এধরনের মামলাবাজ হলে এবং মিথ্যাবাদী ও লোভি হলে তার কাছে শিক্ষার্থীরা কি শিখবে এ প্রশ্ন রেখে রেজাউল বলেন, শুধুমাত্র নিজের স্বার্থে এধরনের মিথ্যা মামলা করা খুবই দুঃখজনক।

রেজাউল বলেন, তার পিতার সখিপুর মৌজার বিআরএস ১৭৬৯ নং খতিয়ানভুক্ত ডিপি ২৬২ দাগের সম্পত্তি সকল ভাইবোনদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নিজ নিজ দখল অব্যাহত আছে। কিন্তু তিনি একজন ব্যবসায়ী ও তার মরহুম পিতার সম্মানের কথা চিন্তা করে বড় ভাইসহ সকল ওয়ারেশগনের সম্মতিতে জমিজায়গা ভাগবাটোয়ারা করে দেয়ার পরও এধরনের কর্মকান্ড অনভিপ্রেত। তিনি ঐ সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তার ভগ্নিপতির এধরনের কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে এধরনের গর্হিত কর্মকান্ডের বিচার দাবি করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow