রাজবংশী সাহিত্যের প্রসারে শশীবালা অধিকারীর অসাধারণ উদ্যোগ
What's Your Reaction?
পার্থ নিয়োগী: শশীবালা অধিকারী রাজবংশী ও বাংলা ভাষার একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক। এর পাশাশি ‘উত্তরের আহ্বান’ বলে একটি পত্রিকার তিনি সম্পাদনা করেন। সাহিত্যের জন্য দুই বাংলার পাশাপাশি বিশ্বের অনেক দেশ সে ভ্রমণ করেছে। ভারত, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ায় থেকে তার সাহিত্য কর্মের জন্য তিনি সংবর্ধিতও হয়েছেন। তার রচিত বই বিশ্বের বেশ কিছু ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। তার রচিত গল্প নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে সিনেমাও। শশীবালা অধিকারীর ব্যাক্তিগত উদ্যোগে মাথাভাঙা, কোচবিহারে হয়েছে খুব বড় মাপের সাহিত্য উৎসব। বিভিন্ন সময় রাজবংশী ও বাংলা ভাষার বিভিন্ন সাহিত্যিকদের তিনি সন্মান জানিয়েছেন। নীরবে তিনি করেন সমাজসেবাও। বর্তমানে রাজবংশী ভাষার সাহিত্যের সাথে যুক্ত লেখকদের সন্মানিত করতে তিনি অনন্য এক প্রয়াস নিয়েছেন। যেহেতু ভারত ও বাংলাদেশ এই দুই দেশের এক বিশাল অঞ্চলের মানুষের প্রধান ভাষা রাজবংশী ভাষা। তাই রাজবংশী ভাষা আন্তর্জাতিক একটি ভাষা। বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন লোক সংগীত ভাওয়াইয়া গানের ভাষা এই রাজবংশী ভাষা। তাই তিনি রাজবংশী ভাষায় চর্চা করা সাহিত্যিকদের নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সাহিত্য সন্মেলন করার উদ্যোগ নিয়েছেন আগামী মে মাসের শেষের দিকে। এই সাহিত্য সন্মেলনে দুই বাংলার রাজবংশী সংস্কৃতি নিয়ে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে। থাকবে পাচ হাজার নৃত্যশিল্পীর রাজবংশী নৃত্যের অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে অনেক টা নোবেল সাহিত্য পুরষ্কারের আদলে রাজবংশী ভাষার সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদান রাখা কোন বিশিষ্ট সাহিত্যিক এর জন্য ‘অলি’ নামের পুরষ্কার। এই পুরষ্কারের অর্থমূল্য থাকছে একলক্ষ টাকা। একইসাথে এই অনুষ্ঠানে বিশ্বের ২৭ টি দেশের থেকেও বিভিন্ন ভাষার কবি সাহিত্যিকরাও উপস্থিত ত্থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। তারাও এই অনুষ্ঠানে তাদের সাহিত্য কর্ম তুলে ধরবেন। একইসাথে তার বহুদিনের স্বপ্ন তার নিজের অর্থে তৈরী বৃদ্ধাশ্রম ‘ স্বপ্নঘর’ এর এই আন্তর্জাতিক রাজবংশী সাহিত্য উৎসবের সময় উদ্বোধন করার ইচ্ছে আছে। আর তাই সাহিত্যিক তথা সমাজসেবী শশীবালা অধিকারীর ব্যাক্তিগত উদ্যোগে আয়োজন করা এই আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসবের প্রয়াস কে সাধুবাদ জানিয়েছে নাগরিকবৃন্দ। একই সাথে শুরু হয়েছে উন্মাদনাও।
Niaz Kawsar Tuhin Dec 9, 2025
Niaz Kawsar Tuhin Dec 9, 2025
Total Vote: 2
হ্যা